রচনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর
শিশুর জন্মের আগের ২৭০ দিন এবং জন্মের পরবর্তী ৭৩০ দিন, মোট ১০০০ দিন, শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে যথাযথ পুষ্টি নিশ্চিত করা হলে শিশুর ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং সে সুস্থ ও কর্মক্ষম হয়ে বেড়ে ওঠে।
১০০০ দিনের পুষ্টির গুরুত্ব নিম্নরূপ:
১. গর্ভকালীন সঠিক পুষ্টি: মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় শিশুর পুষ্টির চাহিদা মায়ের খাদ্য গ্রহণের উপর নির্ভর করে। গর্ভবর্তী মা যদি পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ না করেন, তবে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
২. শারীরিক ও মানসিক বিকাশ জন্মের পর প্রথম দুই বছরে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ দ্রুত হয়। এ সময় প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ, শিশুর বুদ্ধিমত্তা ও শারীরিক গঠনে সহায়ক হয়।
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: সঠিক পুষ্টি গ্রহণ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং অপুষ্টিজনিত রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
৪. ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য নির্ধারণ: ১০০০ দিনের মধ্যে পুষ্টিহীনতায়,ভোগা শিশুদের মধ্যে ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং অন্যান্য জটিল রোগের ঝুঁকি বেশি থাকে।
৫. পরিপূর্ণ বিকাশ: শিশুর হাড় ও দাঁতের সঠিক গঠনের জন্য ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন 'ডি' প্রয়োজন। এই সময়ে পর্যাপ্ত পুষ্টি নিশ্চিত করা না হলে শিশুর দেহ গঠনে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
১০০০ দিনের পুষ্টির সঠিক যত্ন' নেওয়া হলে শিশু ভবিষ্যতে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ এবং কর্মক্ষম হয়ে বেড়ে উঠতে পারে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?